t66 শুধু একটি নাম নয় — এটি লক্ষাধিক বাংলাদেশির বিনোদনের সাথী। ২০১৮ সাল থেকে আমরা একটাই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি: বাংলাদেশের প্রতিটি কোণে নিরাপদ, সহজ ও আনন্দময় অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া।
আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশের মানুষ যেন ঘরে বসেই বিশ্বমানের গেমিং উপভোগ করতে পারেন — কোনো ঝামেলা ছাড়া, কোনো ভাষার বাধা ছাড়া।
যা আমাদের প্রতিদিন অনুপ্রাণিত করে
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে বিশ্বমানের অনলাইন গেমিং সহজলভ্য করা। ভাষার বাধা দূর করে, স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে এবং বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর চাহিদা বুঝে সেবা দেওয়া।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ব্যবহারকারীবান্ধব গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। প্রযুক্তি ও মানবিক স্পর্শের মিশেলে এমন একটি অভিজ্ঞতা দেওয়া যা খেলোয়াড় মনে রাখবেন।
স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা ও দায়িত্বশীলতা — এই তিনটি মূল্যবোধ আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে। t66-এ প্রতিটি গেমের ফলাফল নিরপেক্ষ, প্রতিটি লেনদেন স্বচ্ছ।
২০১৮ সালের শুরুর দিকে, একটি ছোট্ট দল মিলে ভাবছিল — বাংলাদেশের মানুষ কেন ভালো অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত? বিদেশি সাইটগুলো ইংরেজিতে, পেমেন্টে ঝামেলা, সাপোর্ট পাওয়া কঠিন। তখন থেকেই t66-এর পরিকল্পনা শুরু।
লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে সব কিছু বাংলায়, পেমেন্ট বিকাশ-নগদে এবং সাপোর্ট পাওয়া যাবে যেকোনো সময়। t66 সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপ।
প্রথম বছরেই কয়েক হাজার ব্যবহারকারী t66-এ যোগ দেন। তাদের মতামত শুনে, সমস্যা সমাধান করে এবং নতুন ফিচার যোগ করে t66 ধীরে ধীরে আজকের অবস্থানে এসেছে। ব্যবহারকারীদের সাথে কথা বলাটাই ছিল আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা।
আজ t66-এ আছে ২,০০০-এরও বেশি গেম, ৫০টির বেশি স্পোর্টস ইভেন্ট, বিকাশ-নগদ-রকেটসহ ১০টি পেমেন্ট পদ্ধতি এবং ২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট। কিন্তু আমরা থেমে নেই — প্রতি মাসে নতুন গেম, নতুন অফার এবং নতুন উন্নতি আসছে।
অনেক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশকে শুধু আরেকটি বাজার হিসেবে দেখে। t66-এর কাছে বাংলাদেশ প্রথম অগ্রাধিকার। সার্ভার বাংলাদেশের কাছাকাছি রাখা হয়েছে যাতে স্পিড ভালো থাকে। ইন্টারফেস বাংলায় করা হয়েছে কারণ অনেকের ইংরেজিতে স্বাচ্ছন্দ্য নেই। ন্যূনতম ডিপোজিট ৳২০০ রাখা হয়েছে কারণ আমরা জানি সবার পকেট সমান নয়।
বাংলাদেশের ক্রিকেট ভালোবাসা বোঝে বলেই t66-এ ক্রিকেট বেটিং সবচেয়ে সমৃদ্ধ। বিপিএল, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ম্যাচ — সব কিছু এক জায়গায় পাওয়া যায়। রমজান মাসে বিশেষ অফার, ঈদে ক্যাশব্যাক — এগুলো কোনো আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডার দেখে করা হয় না, বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাপন দেখে করা হয়।
t66 আন্তর্জাতিক লাইসেন্সের আওতায় পরিচালিত। প্রতিটি গেম RNG সার্টিফাইড — এর মানে ফলাফল সম্পূর্ণ এলোমেলো, কোনো কারসাজি নেই। তৃতীয় পক্ষের অডিট ফার্ম নিয়মিত আমাদের সিস্টেম পরীক্ষা করে। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য এনক্রিপ্টেড থাকে, কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না।
উইথড্রয়াল প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। জয়ের অর্থ আটকে রাখা বা অযথা দেরি করা t66-এর নীতির বিরুদ্ধে। বেশিরভাগ উইথড্রয় ১৫ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয় — এই প্রতিশ্রুতি আমরা প্রতিদিন রক্ষা করি।
ছয়টি কারণ যা t66-কে আলাদা করে তোলে
t66 বাংলাদেশের মানুষের কথা ভেবে তৈরি। বাংলা ভাষা, বাংলাদেশি পেমেন্ট এবং বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন করা হয়েছে পুরো প্ল্যাটফর্মটি।
জয়ের পর দেরি নেই। বিকাশ ও নগদে সাধারণত ১৫–৩০ মিনিটের মধ্যেই টাকা পাবেন। ব্যাংকেও সর্বোচ্চ ৬ ঘণ্টা — এটা শিল্পের মধ্যে অন্যতম দ্রুত।
256-bit SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তর যাচাইকরণ এবং RNG সার্টিফিকেশন — প্রতিটি লেনদেন ও গেমের ফলাফল সুরক্ষিত ও নিরপেক্ষ।
২,০০০-এরও বেশি গেম — স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, ক্র্যাশ গেমস, টেবিল গেমস এবং স্পোর্টস বেটিং। প্রতি সপ্তাহে নতুন গেম যোগ হয়।
স্বাগত বোনাস থেকে শুরু করে প্রতিদিনের ক্যাশব্যাক, সাপ্তাহিক রিলোড বোনাস ও ভিআইপি পুরস্কার — t66-এ বোনাসের কমতি নেই।
যেকোনো সমস্যায় বাংলায় কথা বলুন আমাদের সাপোর্ট টিমের সাথে। লাইভ চ্যাটে সাধারণত ২ মিনিটের মধ্যে সাড়া পাবেন।
২০১৮ থেকে আজ পর্যন্ত — t66-এর বিকাশের ধাপে ধাপে
প্রতিটি মাইলস্টোনে আমাদের ব্যবহারকারীরা ছিলেন প্রধান অনুপ্রেরণা। তাদের মতামতই আমাদের পথ দেখিয়েছে।
বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি অনলাইন ক্যাসিনো প্ল্যাটফর্ম হিসেবে t66 আত্মপ্রকাশ করে। প্রথম মাসেই ৫,০০০ সদস্য যোগ দেন।
বাংলাদেশি মোবাইল ব্যাংকিং পেমেন্ট সিস্টেম যুক্ত হওয়ার পর ব্যবহারকারীর সংখ্যা তিনগুণ বেড়ে যায়।
ক্রিকেট, ফুটবলসহ ৩০টি স্পোর্টসে লাইভ বেটিং চালু হয়। লকডাউনেও t66-এর পরিষেবা অব্যাহত থাকে।
Evolution Gaming ও Pragmatic Play-এর লাইভ টেবিল যোগ হয়। বাংলাভাষী ডিলার সার্ভিস শুরু হয়।
বহু স্তরের ভিআইপি সিস্টেম ও পয়েন্ট-ভিত্তিক পুরস্কার কার্যক্রম চালু হয়। সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
Android অ্যাপ লঞ্চ, ক্র্যাশ গেম সেকশন যোগ এবং ২০+ নতুন প্রোভাইডারের সাথে চুক্তি। t66 এখন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি।
এই মূল্যবোধগুলো আমাদের প্রতিটি কাজে প্রতিফলিত হয়
ব্যবহারকারীদের রেটিং ও আমাদের নিজস্ব পর্যালোচনার ভিত্তিতে
লক্ষাধিক বাংলাদেশি ইতিমধ্যে t66-এ তাদের পছন্দের গেম উপভোগ করছেন। নিবন্ধন করতে মাত্র ২ মিনিট লাগে — এবং প্রথম ডিপোজিটে পাবেন বিশেষ স্বাগত বোনাস।
শুধুমাত্র ১৮+ বয়সীদের জন্য। দায়িত্বশীল গেমিং নির্দেশিকা পড়ুন।